জ্ঞানভান্ডার
জ্যোতিষ বিষয়ক লেখা
জ্যোতিষ শিখতে চাইলে বা নিজের রাশিফল আর কুণ্ডলী ভালো করে বুঝতে চাইলে এখান থেকে শুরু করুন। প্রতিটা লেখায় শাস্ত্রের নিয়ম, টেবিল আর উদাহরণ আছে, সহজ ভাষায়।
জ্যোতিষের মূল ধারণা
বারো রাশি: স্বভাব, তত্ত্ব আর অধিপতি গ্রহ
মেষ থেকে মীন, প্রতিটা রাশির তত্ত্ব (অগ্নি, পৃথ্বী, বায়ু, জল), প্রকৃতি (চর, স্থির, দ্বিস্বভাব), অধিপতি গ্রহ আর সূর্য কখন কোন রাশিতে যায়, এক টেবিলে।
নবগ্রহ: কোন গ্রহ কী বোঝায়, শুভ না অশুভ
সূর্য থেকে কেতু, নয়টি গ্রহের কারকত্ব, স্বভাব, শুভ-অশুভ ভাগ, বার, রং আর রাশিচক্র ঘুরতে কার কত সময় লাগে।
বারো ভাব: কুণ্ডলীর কোন ঘর কী বলে
প্রথম থেকে দ্বাদশ, কুণ্ডলীর প্রতিটা ঘরের অর্থ, কেন্দ্র-ত্রিকোণ-দুঃস্থান কোনগুলো, আর একটা ঘর বিচার করতে কী কী দেখতে হয়।
লগ্ন কী, কীভাবে বের হয়, আর জন্মসময় কেন এত জরুরি
লগ্ন মানে জন্মের মুহূর্তে পূর্ব দিগন্তে উদিত রাশি। প্রায় দুই ঘণ্টায় লগ্ন বদলায়, তাই কয়েক মিনিটের ভুলেও ছক বদলে যেতে পারে।
নিজের রাশি কীভাবে জানবেন: জন্মরাশি, লগ্ন আর তারিখের রাশির পার্থক্য
বৈদিক জ্যোতিষে রাশি মানে জন্মের সময় চন্দ্র যে রাশিতে ছিল। কীভাবে নিজের রাশি জানবেন, আর জানা না থাকলে কোন রাশিফল পড়বেন, সহজ ভাষায়।
সায়ন আর নিরয়ন: অয়নাংশ কী, আর পত্রিকার রাশির সঙ্গে কেন মেলে না
পৃথিবীর অক্ষের ধীর দোলনের কারণে সায়ন (পশ্চিমা) আর নিরয়ন (বৈদিক) রাশিচক্রের মধ্যে এখন প্রায় ২৪ অংশের ফারাক।
গ্রহের বল: উচ্চ, নীচ, মূলত্রিকোণ আর স্বক্ষেত্র
কোন গ্রহ কোন রাশিতে উচ্চ, কোথায় নীচ, পরম উচ্চ অংশ কত, মূলত্রিকোণ আর স্বক্ষেত্র কোনগুলো, আর নীচভঙ্গ মানে কী, পূর্ণ টেবিলসহ।
গ্রহের মৈত্রী: কোন গ্রহ কার বন্ধু, কার শত্রু
পরাশরের নৈসর্গিক মৈত্রী সারণি, তাৎকালিক মৈত্রী কীভাবে গোনা হয়, আর পঞ্চধা মৈত্রী মিলিয়ে গ্রহের সম্পর্ক কীভাবে দাঁড়ায়।
গ্রহের দৃষ্টি: কোন গ্রহ কোন ঘর দেখে
সব গ্রহ সপ্তম ঘর দেখে, কিন্তু মঙ্গল, বৃহস্পতি আর শনির বিশেষ দৃষ্টি আছে। পরাশরী দৃষ্টি, রাশি দৃষ্টি আর দৃষ্টির ফল কীভাবে বিচার হয়।
নক্ষত্র, পঞ্জিকা আর শুভ সময়
পঞ্চাঙ্গ: তিথি, বার, নক্ষত্র, যোগ আর করণ কীভাবে গোনা হয়
পঞ্জিকার পাঁচ অঙ্গ, প্রতিটা কীভাবে চাঁদ-সূর্যের অবস্থান থেকে গোনা হয়, কোনটা কতক্ষণ থাকে, আর ভদ্রা বা বিষ্টি করণ কেন বর্জনীয়।
তিথি: ত্রিশ তিথির নাম, প্রকৃতি আর কোন কাজে কোন তিথি
নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা আর পূর্ণা, এই পাঁচ ভাগে ত্রিশ তিথি। কোন তিথি শুভ কাজে প্রশস্ত, কোনটা বর্জনীয়, একাদশী আর অমাবস্যা-পূর্ণিমার তাৎপর্য।
২৭ নক্ষত্র: নাম, অধিপতি, রাশিভাগ আর পাদ
অশ্বিনী থেকে রেবতী, সাতাশ নক্ষত্রের অংশ-সীমা, কোন নক্ষত্র কোন রাশিতে, বিংশোত্তরী দশার অধিপতি, গণ আর নক্ষত্রের চার পাদ, পূর্ণ টেবিলে।
বাংলা পঞ্জিকা আর বঙ্গাব্দ: সংক্রান্তি থেকে মাস, বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের হিসাব কেন আলাদা
বাংলা মাস কেন সৌর, সংক্রান্তির সঙ্গে মাসের সম্পর্ক, বঙ্গাব্দ কীভাবে গোনা হয়, আর বাংলাদেশের সংশোধিত ক্যালেন্ডার ও পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী পঞ্জিকার মধ্যে এক দিনের ফারাক…
রাহুকাল কী, কখন হয় আর কেন এই সময়ে নতুন কাজ শুরু করতে নেই
প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের সময়কে আট ভাগ করে একটি ভাগ রাহুকাল। কোন বারে কোন ভাগ, কীভাবে হিসাব হয়, আর এই সময়ে কী করবেন না।
শুভ মুহূর্ত বাছাই: অভিজিৎ, রাহুকাল, যমগণ্ড, গুলিক আর অমৃতযোগ
দিনের কোন সময় শুভ, কোনটা বর্জনীয়: রাহুকাল, যমগণ্ড আর গুলিককালের বারভিত্তিক টেবিল, অভিজিৎ মুহূর্ত কীভাবে বের হয়, আর মুহূর্ত বাছার সময় কোন কোন জিনিস মেলাতে হয়।
সূর্যগ্রহণ আর চন্দ্রগ্রহণ: কেন হয়, জ্যোতিষে কী বলে, সূতকের নিয়ম
গ্রহণ কেন শুধু অমাবস্যা-পূর্ণিমায় হয়, রাহু-কেতুর ভূমিকা, পূর্ণ-খণ্ড-বলয়-উপচ্ছায়া গ্রহণের ফারাক, সূতক কখন শুরু হয়, আর যেখান থেকে দেখা যায় না সেখানে কেন প্রভাব হালকা…
গোচর আর দশা
গোচর: চন্দ্ররাশি থেকে কোন ঘরে কোন গ্রহ শুভ
রাশিফলের ভিত্তি গোচর। চন্দ্ররাশি থেকে গুনে প্রতিটা গ্রহ কোন কোন ঘরে শুভ ফল দেয়, কোন ঘরে চাপ আনে, আর গোচর পড়ার সময় কী কী মনে রাখতে হয়, পূর্ণ টেবিলসহ।
গোচর বেধ: শুভ গোচর কখন আটকে যায়
কোনো গ্রহ শুভ ঘরে থাকলেও আরেকটা গ্রহ তার বেধস্থানে থাকলে ভালো ফল আটকে যায়। প্রতিটা গ্রহের শুভ ঘর আর বেধস্থানের জোড়া, সূর্য-শনি ও চন্দ্র-বুধের ব্যতিক্রম, আর বিপরীত বেধ।
শনির সাড়েসাতি আর ঢাইয়া: কখন শুরু, কতদিন, আর আসলে কতটা ভয়ের
চন্দ্ররাশি থেকে দ্বাদশ, প্রথম আর দ্বিতীয় ঘরে শনির গোচর সাড়েসাতি, চতুর্থ আর অষ্টমে ঢাইয়া। তিন পর্বের ফল, কোন রাশির এখন চলছে, আর সাড়েসাতি কেন সবার জন্য সমান কঠিন নয়।
রাহু আর কেতু: ছায়াগ্রহ কী, কুণ্ডলীতে কী বোঝায়, এখন কোথায়
রাহু-কেতু আসলে চাঁদের কক্ষপথের দুই ছেদবিন্দু। কেন সবসময় উল্টো দিকে চলে, প্রতিটা ঘরে মূল ফল, রাহু-কেতুর অক্ষ, কালসর্প নিয়ে সংযত দৃষ্টিভঙ্গি, আর ২০২৬-২৭ সালে তাদের রাশি।
বক্রী আর অস্ত গ্রহ: পিছিয়ে চলা আর সূর্যের আলোয় হারিয়ে যাওয়া
গ্রহ কেন বক্রী মনে হয়, কোন গ্রহ কত ঘন ঘন আর কতদিন বক্রী থাকে, বুধ বক্রীর সময় কী সামলাবেন; আর অস্ত কী, কোন গ্রহ সূর্যের কত অংশের মধ্যে এলে অস্ত হয়, শুক্র-বৃহস্পতি…
বিংশোত্তরী দশা: ১২০ বছরের চক্র কীভাবে গোনা হয়
জন্মনক্ষত্র থেকে প্রথম দশা, নয় গ্রহের মহাদশার বছর, জন্মের সময় বাকি দশা কীভাবে বের হয়, অন্তর্দশার হিসাব, আর দশার ফল বিচারের মূল নিয়ম, উদাহরণসহ।
অষ্টকবর্গ: বিন্দু দিয়ে গোচরের ফল মাপা
অষ্টকবর্গ কী, ভিন্নাষ্টকবর্গ আর সর্বাষ্টকবর্গের ফারাক, মোট ৩৩৭ বিন্দুর হিসাব, কোন রাশিতে কত বিন্দু থাকলে গোচর ভালো যায়, আর কীভাবে এটা ব্যবহার করবেন।
কুণ্ডলী বিচার, মিলন আর প্রতিকার
জন্মকুণ্ডলী পড়ার ধাপ: ছক চেনা থেকে বিচার পর্যন্ত
উত্তর ভারতীয়, বাংলা (পূর্ব ভারতীয়) আর দক্ষিণ ভারতীয় ছক কীভাবে চিনবেন, কোথায় কোন ঘর, আর একটা কুণ্ডলী পড়তে বসলে কোন ক্রমে কী দেখবেন।
লগ্ন অনুযায়ী শুভ, অশুভ আর যোগকারক গ্রহ
একই গ্রহ এক লগ্নে উপকারী, আরেক লগ্নে ক্ষতিকর। লঘু পারাশরীর নিয়মে বারো লগ্নের কার্যকরী শুভ গ্রহ, পাপ গ্রহ আর যোগকারক, এক টেবিলে, আর নিয়মটা কীভাবে কাজ করে।
কুণ্ডলীর প্রধান যোগ: গজকেশরী, পঞ্চমহাপুরুষ, রাজযোগ, ধনযোগ আর কেমদ্রুম
জ্যোতিষে যোগ মানে গ্রহের বিশেষ বিন্যাস। সবচেয়ে বেশি আলোচিত যোগগুলোর সংজ্ঞা, ফল আর একটা যোগ কতটা কাজ করবে তা যাচাইয়ের নিয়ম।
নবাংশ (D9) আর ষোড়শবর্গ: রাশিছকের ভেতরের ছক
প্রতিটা রাশিকে নয় ভাগ করে তৈরি হয় নবাংশ। নবাংশ কীভাবে বের হয়, বর্গোত্তম কী, বিয়ে আর গ্রহের প্রকৃত বলে নবাংশের ভূমিকা, আর ষোড়শবর্গের অন্য ছকগুলো কী বলে।
বিয়েতে কুষ্ঠি মিলন: অষ্টকূট আর ৩৬ গুণের হিসাব
বর্ণ থেকে নাড়ী, অষ্টকূটের আট ভাগ, কোনটায় কত গুণ আর কী মাপা হয়, কত গুণ মিললে বিয়ে চলে, নাড়ী আর ভকূট দোষ, আর কেন শুধু গুণ গুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
মাঙ্গলিক দোষ: কী, কাদের হয়, আর আসলে কতটা ভয়ের
মঙ্গল লগ্ন, চন্দ্র বা শুক্র থেকে প্রথম, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম বা দ্বাদশে থাকলে মাঙ্গলিক বলা হয়।
রত্ন: কোন গ্রহের কোন রত্ন, কোন আঙুলে, আর কখন পরবেন না
নবরত্নের পূর্ণ টেবিল (গ্রহ, রত্ন, বিকল্প উপরত্ন, ধাতু, আঙুল, বার), রত্ন বাছাইয়ের আসল নিয়ম, নীলা আর গোমেদ নিয়ে সাবধানতা, আর রত্ন কেনার সময় কী যাচাই করবেন।
সংখ্যাতত্ত্ব আর নামাক্ষর
সংখ্যাতত্ত্বের মূল কথা: মূলাঙ্ক, ভাগ্যাঙ্ক, নামাঙ্ক আর যৌগিক সংখ্যা
জন্মতারিখ থেকে মূলাঙ্ক আর ভাগ্যাঙ্ক কীভাবে বের হয়, কোন সংখ্যার কোন গ্রহ, কিরো (কালদীয়) পদ্ধতিতে নামের অক্ষরের মান, যৌগিক সংখ্যা কী, আর সংখ্যাতত্ত্বের সীমা কোথায়।
নামাক্ষর রাশিফল কী: নামের প্রথম অক্ষর থেকে কীভাবে রাশি বোঝা যায়
সাতাশ নক্ষত্রের প্রতিটি চরণের একটি করে ধ্বনি আছে। নামের প্রথম ধ্বনি থেকে নক্ষত্র-চরণ আর রাশি জানা যায়, যাদের জন্মসময় জানা নেই তাঁদের জন্য এটি প্রচলিত পদ্ধতি।