যৌগিক সংখ্যা ২১ · মূলাঙ্ক ৩
২১ মে যাঁদের জন্মদিন
বৃহস্পতি · জ্ঞান আর প্রকাশের ক্ষমতা
যৌগিক সংখ্যা ২১: সিদ্ধির সংখ্যা। দীর্ঘ পরিশ্রমের পরে জয়, এটিই এই সংখ্যার ধরন। এখানে কোনো কিছুই আগেভাগে আসে না, কিন্তু যা আসে তা পাকাপাকি।
২১ মে: শুধু এই জন্মদিনের ফল
২১ তারিখে জন্ম মানে লম্বা চেষ্টার পর জয়। তাঁরা প্রাণবন্ত, মিশুক, কথায় আর লেখায় সহজ। ছোটবেলার কিছু অপূর্ণতা তাঁদের ভেতরে জেদ তৈরি করে, আর সেই জেদেই পরে বড় কিছু গড়েন। সমাজে পরিচিতি পান; শুধু খরচের হাতটা একটু টেনে রাখা দরকার।
জন্মের সময় সূর্য: বৃষ · কৃত্তিকা. জন্মের সময় সূর্য ছিলেন বৃষ রাশিতে। এতে স্বভাবে আসে স্থিরতা আর ধৈর্য; আপনি তাড়াহুড়ো পছন্দ করেন না, কিন্তু একবার যা ধরেন তা ছাড়েন না। টাকা আর জিনিসের মূল্য বোঝেন, আরামের প্রতিও টান আছে।
সূর্য রাশির প্রথম ভাগে, যে অংশের (দ্রেক্কাণের) অধিপতি শুক্র; তাই রুচি, শিল্পবোধ আর সম্পর্কের মাধুর্য যোগ হয়। সূর্য কৃত্তিকা নক্ষত্রে, তাই কথায় আর কাজে একটা ধার আছে; ভুল দেখলে আপনি চুপ থাকতে পারেন না। মূলাঙ্কের গ্রহ বৃহস্পতি আর সূর্যের রাশির অধিপতি শুক্র-এর মধ্যে বনিবনা কম। তাই ভেতরে দুটো আলাদা টান কাজ করে; এই টানাপোড়েন সামলাতে শিখলে সেটাই আপনাকে বহুমুখী করে তোলে।
২১ মে-এ জন্ম আর সূর্য বৃষ রাশিতে: জীবনের চার দিক
পেশা
লেখালেখি, মিডিয়া, শিক্ষা বা সামাজিক কাজে আপনার পরিচিতি বাড়ে। ব্যাংক, অর্থ, কৃষি, খাদ্য, শিল্পকলা বা সৌন্দর্যের ব্যবসায় স্থির সাফল্য আসে।
টাকাপয়সা
আয় ভালো হয়, খরচের হাতও খোলা; মাসের শুরুতেই সঞ্চয়টা সরিয়ে রাখুন। সঞ্চয়ের হাত ভালো; জমি আর সোনায় বিনিয়োগ আপনার জন্য শুভ।
প্রেম ও সম্পর্ক
আড্ডাপ্রিয় আর মিশুক; সঙ্গীকেও নিজের বন্ধুমহলে জায়গা দিন। সম্পর্কে বিশ্বস্ত আর স্থির, তবে অভিমান হলে দীর্ঘদিন মনে পুষে রাখেন।
স্বাস্থ্য
অতিভোজন আর ওজন বাড়ার ধাত আছে; নিয়মিত হাঁটুন। গলা, থাইরয়েড আর ওজনের দিকে খেয়াল রাখুন; মিষ্টি কম খান।
সূর্যের রাশি আর নক্ষত্র জন্মদিন আর মাস ধরে হিসাব করা; রাশি বদলের দিনের আশেপাশে জন্ম হলে বছরভেদে এক দিন এদিক-ওদিক হতে পারে। নিশ্চিত হতে পূর্ণ জন্মছক দেখুন।
তিন স্তরের ব্যক্তিত্ব
চন্দ্র: ভেতরে আপনি নরম ও স্পর্শকাতর। কারও মুখ দেখেই তার মনের অবস্থা আপনি ধরে ফেলেন, আর সেই কারণেই ছোট কথাও আপনাকে বেশি আঘাত করে।
সূর্য: বাইরের জগৎ আপনাকে আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবেই চেনে। যে দলেই থাকুন, কেউ বলে দেওয়ার আগেই দায়িত্বটা আপনার কাঁধে চলে আসে।
মূলাঙ্ক ৩-এর অধিপতি বৃহস্পতি, দেবগুরু। তাই শেখা এবং শেখানো, এই দুটোই আপনার স্বভাবের ভেতরে গাঁথা। আপনি যা জানেন তা নিজের মধ্যে রাখতে পারেন না, কাউকে না কাউকে বলতেই হয়। এই গুণেই আপনি শিক্ষক, পরামর্শদাতা বা পথপ্রদর্শকের জায়গায় পৌঁছে যান, এমনকি সেই পদ না পেলেও মানুষ আপনার কাছেই পরামর্শ চাইতে আসে। বিপদ একটাই, একসঙ্গে অনেক দিকে আগ্রহ ছড়িয়ে পড়ে এবং কোনোটিই শেষ হয় না। যে কাজটি আপনি শেষ করেন, সেটিই আপনাকে নাম দেয়।
মিত্র ভেতর বনাম বাইরে: ভেতরের মন ও বাইরের আচরণ একে অপরকে সমর্থন করে। আপনি যা ভাবেন তা-ই করেন, তাই মানুষ আপনাকে সহজে বিশ্বাস করতে পারে।
জন্মমাস মে: জীবনের ঘটনায় তার ছাপ
মিত্র জন্মমাসের শক্তি আপনার মূলাঙ্কের বন্ধু। তাই নিচের ঘটনাগুলো মোটামুটি সহজে আর সময়মতো ঘটে, পরিবার আর চারপাশের মানুষও পাশে থাকে। এই মাসের মূল ক্ষেত্র হলো যোগাযোগ ও চলাচল।
- শৈশব ও পরিবার
- শৈশব কাটে চঞ্চলতায়, এক জায়গায় বেশিদিন মন টেকে না।
- কাজের জীবনের মোড়
- কর্মজীবনের মোড় আসে কোনো যাত্রা, বদলি বা হঠাৎ পাওয়া প্রস্তাবের মাধ্যমে।
- সম্পর্ক ও বিয়ে
- সম্পর্কে স্বাধীনতা প্রয়োজন। বাঁধন বেশি শক্ত হলে আপনি হাঁপিয়ে ওঠেন।
- জায়গা ও ভ্রমণ
- একাধিক শহরে থাকার যোগ আছে। বিদেশযাত্রা ও ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন স্বাভাবিক।
শুভ রং, বার আর সময়
কাদের সঙ্গে মেলে
যে জন্মতারিখগুলো সহায়ক
যে জন্মতারিখে ঠোকাঠুকি
প্রতিকার · বৃহস্পতি
বৃহস্পতিবার হলুদ বস্ত্র, ছোলা বা মিষ্টি দান এবং গুরুজনের চরণস্পর্শ এই অঙ্কের বাধা কাটায়।
সংখ্যাতত্ত্বে প্রতিকার বিশ্বাসভিত্তিক একটি রীতি, একে পরামর্শ হিসেবেই দেখবেন।
একই মূলাঙ্ক ৩, তবু আলাদা মানুষ
২১ তারিখ, অন্য মাসে জন্ম হলে
জন্মসাল দিয়ে পূর্ণ ফল
জীবনের চার পর্ব, ভাগ্যাঙ্ক আর আজ, এই সপ্তাহ, মাস ও বছরের ব্যক্তিগত ফল জন্মসাল থেকে হিসাব হয়।
সাধারণ প্রশ্ন
২১ মে তারিখে জন্ম হলে মূলাঙ্ক কত?
জন্মদিন ২১, তাই ২+১ = মূলাঙ্ক ৩ (বৃহস্পতি)। প্রথম অঙ্ক ২ (চন্দ্র) ভেতরের মন, দ্বিতীয় অঙ্ক ১ (সূর্য) বাইরের আচরণ।
যৌগিক সংখ্যা ২১-এর অর্থ কী?
সিদ্ধির সংখ্যা। দীর্ঘ পরিশ্রমের পরে জয়, এটিই এই সংখ্যার ধরন। এখানে কোনো কিছুই আগেভাগে আসে না, কিন্তু যা আসে তা পাকাপাকি।
২১ মে জন্ম হলে মাসটা কী বদলায়?
মে মাসের মূল ক্ষেত্র যোগাযোগ ও চলাচল। ২১ তারিখে জন্ম মানে লম্বা চেষ্টার পর জয়। তাঁরা প্রাণবন্ত, মিশুক, কথায় আর লেখায় সহজ। ছোটবেলার কিছু অপূর্ণতা তাঁদের ভেতরে জেদ তৈরি করে, আর সেই জেদেই পরে বড় কিছু গড়েন।